মনের সুস্থতায় ঘি এর পজিটিভিটি

মন ভালো না থাকলে মনে হয় যেনো কিছু ভালো নেই। কোনো কাজে মনোযোগ তো আসেই না, আবার শারীরিক দুর্বলতাও দেখা দেয়। তাহলে, মনের সুস্থতার জন্য আমাদের করণীয় কি হতে পারে?
মনকে সুস্থ রাখার জন্য আমাদের নিজেদের জন্য সময় বের করতে হয়, পরিবার ও প্রিয়জনদের সাথে সুন্দর মুহুর্ত কাটানোর সুযোগ করতে হয়, ব্যায়াম ও ধ্যান করতে হয় এবং আরও কত কি! 
কিন্তু আমরা কি ভেবে দেখেছি আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যে আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে? এমন কিছু খাদ্য রয়েছে যা আমাদের বিষণ্ণতা দূর করে এবং আমাদের মনকে সুস্থ রাখে। এরকমই ‘ফিল গুড’ টাইপ খাদ্য হচ্ছে আমাদের চির পরিচিত- ঘি। 
ঘি তে রয়েছে বুটাইরিক এসিড। শরীরের বিপাক ক্রিয়ায় সহায়তা করতে এর ব্যাপক কার্যকারীতা রয়েছে। এমনকি এই এসিড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতেও সহায়তা করে। 
এত সব গুণ ছাড়াও মানসিক সুস্থতার জন্য ঘি এর সুনাম রয়েছে। অবাক হচ্ছেন? 
ঘি এর পজিটিভিটি 
বহুকাল ধরেই ঘি-কে পজিটিভ ফুড হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আধুনিক গবেষণায়ও দেখা গিয়েছে যে ঘি খেলে পজিটিভিটি বাড়ে। প্রতিনিয়ত ঘি খেতে থাকলে হতাশা, ডিমেনশিয়া, উন্মাদনার মতন মানসিক সমস্যার প্রতিকার হওয়া সম্ভব। আবার ঘি কিন্তু আমাদের অবচেতন মনের স্বতস্ফুর্ততা বাড়ায়। ঘি তে প্রাকৃতিক কিছু খাদ্য উপাদান রয়েছে যা আমাদের মস্তিষ্ক ও স্নায়ুটিস্যুর পুষ্টি সাধন করে। 
এছাড়াও, শিশুদের জন্যও ঘি হতে পারে পুষ্টিকর উপাদানের উল্লেখযোগ্য উৎস। কারণ বাচ্চাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অপেক্ষাকৃত দূর্বল হয়ে থাকে। ঘি-তে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শিশুদের বিভিন্ন রোগ থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। ভিটামিন ডি, কে, এ তে ভরপুর গাওয়া ঘি শিশুদের পুষ্টিচাহিদাও পূরণ করে অনেকাংশে। যার ফলে বুদ্ধি বিকাশের পাশাপাশি, শারীরিক সক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। 
ঘি এর সুঘ্রাণ এবং খাদ্যগুণ মনের পজিটিভিটি বৃদ্ধি করে। মনকে প্রফুল্ল রাখতেও সহায়তা করে। তাই, খাদ্যাভাসে ঘি অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে নিজের মনকে সুস্থ রাখুন, পজিটিভ রাখুন।

 

Please follow and like us: